Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

শিরোনাম
বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ২০২২-২৩
বিস্তারিত
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর, লালমনিরহাট এর কর্মসম্পাদনের সার্বিক চিত্র:
সাম্প্রতিক অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর ) প্রধান অর্জনসমূহ
(২০১৯-২০, ২০২০-২১ও ২০২১-২২ অর্থবছর)
 
বাংলাদেশ এলডিসি পর্যায়ে উত্তরনের প্রেক্ষাপটে এবং ক্রমবর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার প্রাণীজ আমিষের (দুধ, ডিম ও মাংস) চাহিদা মেটাতে উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে বিদ্যমান প্রাণিসম্পদের সংরক্ষণ, সম্প্রসারণ ও জাত উন্নয়ন ক্ষেত্রে লালমনিরহাট জেলার অভাবনীয় অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।
 
 সাম্প্রতিক অর্থবছরসমূহে গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে যথাক্রমে ০.৪২৯৫১, ০.৩৫৮২৪ ও ০.৩৪২৩৪ লক্ষ প্রজননক্ষম গাভী/বকনাকে কৃত্রিম প্রজননের আওতায় আনা হয়েছে। উৎপাদিত সংকর জাতের বাছুরের সংখ্যা যথাক্রমে ০.১২৮৫৫, ০.১৩৮১৫ ও ০.১৩৮০৮ লক্ষ।
 
 বিদ্যমান প্রাণিসম্পদের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে যথাক্রমে ০.৩২০, ০.৩২৮ ও ০.৩৭৫ কোটি গবাদিপশু-পাখিকে টিকা প্রদান করা হয়েছে এবং যথাক্রমে ০.০৮২, ০.০৯৩৭ ও ০.০৯৪ কোটি গবাদিপশু-পাখিকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। 
 
 খামারির সক্ষমতা বৃদ্ধি, খামার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও খামার সম্প্রসারণে যথাক্রমে ০.০৩৬, ০.০২৬ ও ০.০৩৮ লক্ষ খামারিকে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ যথাক্রমে ৩২১, ২৬৮ ও ২৮৭টি উঠান বৈঠক পরিচালনা করা হয়েছে।
 
 নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণীজ আমিষ উৎপাদনে যথাক্রমে ৫৩১, ৬৩১ ও ৬১৪টি খামার/ফিডমিল/হ্যাচারি পরিদর্শন, ১১৫, ১৪০ ও ২৪৩ জন মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী (কসাই) প্রশিক্ষণ এবং ৯, ৮ ও১২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
 
o সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জসমূহ
 
গবাদিপশুর গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যের অপ্রতুলতা, আবির্ভাবযোগ্য রোগ প্রাদুর্ভাব, সুষ্ঠু সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার অভাব, লাগসই প্রযুক্তির ঘাটতি, প্রণোদনামূলক ও মূল্য সংযোজনকারী উদ্যোগের ঘাটতি, উৎপাদন সামগ্রীর উচ্চমূল্য, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, খামারির সচেতনতা ও ব্যবস্থাপনাগত জ্ঞানের ঘাটতি, সীমিত জনবল ও বাজেট বরাদ্দ প্রাপ্তি প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে অন্যতম চ্যালেঞ্জ।
 
o ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
 
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাজার ব্যবস্থার সংযোগ জোরদারকরণ, পণ্যের বহুমূখীকরণ, নিরাপদ ও মানসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থার প্রচলন করা হবে। গবাদিপশু-পাখির রোগ নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি, চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন এবং রোগ অনুসন্ধান গবেষণাগার আধুনিকীকরণ করা হবে। দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখা হবে। প্রাণিপুষ্টি উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তির প্রসার, টিএমআর প্রযুক্তির প্রচলন, ঘাসের বাজার সম্প্রসারণ ও পশুখাদ্যের মান নিশ্চিতকরণে নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। খামারির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ ও উঠান বৈঠক কার্যক্রম জোরদারসহ প্রাণিসম্পদ সম্পর্কিত আইন, বিধি ও নীতিমালার অনুসরণে মোবাইল কোর্টের আওতা বৃদ্ধি করা হবে।
 
২০২২-২০২৩ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ :
 গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে ০.৩৬২ লক্ষ প্রজননক্ষম গাভী/বকনাকে কৃত্রিম প্রজননের আওতায় আনয়ন এবং ০.১৩৮ লক্ষ সংকর জাতের অধিক উৎপাদনশীল বাছুর উৎপাদন করা
 
 গবাদিপশু-পাখির রোগ প্রতিরোধে ০.৪০৮ কোটি মাত্রা টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটানো হবে ও নজরদারি ব্যবস্থা জোরদারে ১০০ টি ডিজিজ সার্ভিলেন্স পরিচালনা করা হবে। রোগ প্রতিকারে ০.০১৩ কোটি গবাদিপশু ও ০.০৭৮ কোটি পোল্ট্রিকে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 
 খামারির সক্ষমতা বৃদ্ধি, খামার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও খামার সম্প্রসারণে ০.০২৬ লক্ষ খামারিকে প্রশিক্ষণ প্রদান ও ২৭৫ টি উঠান বৈঠক পরিচালনা করা হবে।
 
 নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণীজ আমিষ উৎপাদনে ৫১০ টি খামার/ফিডমিল/হ্যাচারি পরিদর্র্শন, ১৪০ জন মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী (কসাই) প্রশিক্ষণ এবং ১১ টি মোবাইল কোর্ট বাস্তবায়ন করা হবে।
ছবি
ডাউনলোড
প্রকাশের তারিখ
15/06/2022
আর্কাইভ তারিখ
17/09/2023